
নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে বকেয়া পরিশোধ না করেই পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা দেওয়ার প্রতিবাদে, ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়ক সিদ্ধিরগঞ্জে অবরোধে নেমেছে একটি কারখানার শ্রমিকরা।এতে মহাসড়কের উভয়পাশে ৫ কিলোমিটারজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
জান গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ৩ নম্বর ওয়ার্ডস্থ মৌচাক এলাকায় ‘কোরেশ বাংলাদেশ লিমিটেড’ নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ না করে গার্মেন্টস মালিক কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ঘোষণা করে। এর প্রতিবাদে শ্রমিকরা নিজেদের বকেয়া বেতন পাওয়া এবং গার্মেন্টসটি খোলা রাখার দাবিতে মহাসড়কের মৌচাক অংশে প্রতিবাদে নামে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে শ্রমিকরা মহাসড়কের উভয় পাশে অবস্থান নেন। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে শ্রমিকদের অবরোধে মহাসড়কের উভয়পাশে সাইনবোর্ড হতে কাঁচপুর পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার, এতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েন পথচারীরা।
অবরোধকারী শ্রমিকদের দাবি না মানা পর্যন্ত তারা সড়ক ছাড়বেন না বলে জানিয়েছে। শ্রমিকেদের ভাষ্য, কোনো নোটিশ ছাড়া এবং আগের পাওনা বেতন না দিয়ে বন্ধ ঘোষণা করে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।শ্রমিকরা বকেয়া বেতন পরিশোধসহ প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় চালু করার দাবি জানান।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন জানান, শ্রমিকদের বুঝিয়ে আমরা রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়েছি। গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শ্রমিকদের আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করার চেষ্টা চলছে।
খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আবদুক বারিক ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন,তিনি জানান, শ্রমিকদের আমরা বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছি। তারা যৌক্তিক আন্দোলন করছে। আমরা মালিকপক্ষের জন্য অপেক্ষা করছি, তাদের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত আপডেট দেওয়া যাবে। যানজট ধীরে ধীরে ছুটছে। কিছুক্ষণের মধ্যে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
বকেয়া পরিশোধের বিষয়টি মালিপক্ষকে দ্রুত সমাধানের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।” মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক চলমান রয়েছে বলে জানান শিল্প পুলিশের পরিদর্শক সেলিম বাদশা।
কারখানাটির পরিচালক মশিউর রহমান বলেন, “কেবলমাত্র গতমাসের বেতন বকেয়া। বিষয়টি সমাধানে কারখানা কর্তৃপক্ষ কাজও করছে। কিন্তু এরই মধ্যে বাইরের কেউ কেউ ইন্ধন দিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করতে কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে গুজব ছড়ায়। আমরা শ্রমিকদের নিয়েই বিষয়টি সমাধান করবো।” “তাদের বেতন দ্রুতই পরিশোধ করা হবে”,

