
সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:ভাড়া ও চুক্তিপত্রের দ্বন্দে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী মাহমুদুল হাসান নামে এক যুবকের দোকানের প্রায় আড়াই লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে মার্কেট মালিকদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদি হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ঐ মার্কেটের তিন মালিকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুুক্তরা হলেন, চিটাগাংরোডস্থ হাজী নেকবর আলী সুপার মার্কেটের মালিক আনোয়ার হোসেন (৪০), তার ভাই দেলোয়ার (৫০) ও মিরাজ (৩৫)।
অভিযোগে মাহমুদুল হাসান উল্লেখ করেন, অভিযুুক্তরা দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের মার্কেট সংলগ্ন রাস্তার দোকানদারদের কাছ থেকে বিভিন্ন পন্থায় চাঁদা আদায় করে আসছে। বিগত ২০১২ সালে আমি অভিযুক্তদের মার্কেটের সামনে চুক্তির মাধ্যমে এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে একটি কাপড়ের দোকান ক্রয় করি। দোকানের পজিশন বাবদ তারা আরো চার লক্ষ টাকা আমার কাছ থেকে নেয় এবং প্রতিমাসে তারা তথাকথিত জমিদার ভাতা হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা নেয়।
ভুক্তভোগী জানান, গত আগষ্টে আওয়ামী সরকার পতনের পর থেকেই অভিযুক্তরা অযৌক্তিকভাবে দশ হাজার টাকা মাসিক চাঁদা দাবী করতে থাকে। আমি নিরুপায় হয়ে তাদের দাবিকৃত চাঁদা প্রদান করি। কিছুদিন পর তারা আমাকে পুনরায় পূর্বের ন্যায় দোকান বাবদ চুক্তিপত্র তৈরির জন্য চাপ দেয় এবং পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি রাজি না হওয়ায় বিগত ৪ দিন যাবৎ তারা আমার দোকান বন্ধ করে রাখে। একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাতে আমার দোকানের প্রায় দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা মূল্যের মালামাল লুন্ঠন করা হয়। অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে তাকে সর্বশান্ত করার লক্ষ্যে তার দোকানের মালামাল লুণ্ঠন করেছে বলে অভিযোগ মাহমুদুল হাসানের।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মার্কেটের মালিক আনোয়ার হোসেনের ব্যবহৃত মুঠোফোনে (০১৭৬৪-১৪৮১৮৮) ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এএসআই ফিরোজ মিয়া সরকার জানান, এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্তদেরকে ডাকা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

