নারায়ণগঞ্জ-৫: দুই বিএনপি নেতাসহ চার প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, বৈধ ৮

জেলাজুড়ে রাজনীতি সদর

নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে বিএনপির দুই নেতাসহ চার প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামসহ আট প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় সদর অঞ্চল ও বন্দর উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনের জন্য জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা রায়হান কবির এ ঘোষণা দেন।

এ আসনে স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মধ্যে আটজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ এবং চারজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন, মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি মাছুম বিল্লাহ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এবিএম সিরাজুল মামুন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের প্রার্থী আবু নাঈম খান বিপ্লব, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী এইচ এম আমজাদ হোসেন মোল্লা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মন্টু চন্দ্র ঘোষ এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী।

মনোনয়ন বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মহানগর বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত নেতা মাকসুদ হোসেন এবং গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. নাহিদ হোসেন।

রিটার্নিং অফিস সূত্র জানায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাকসুদ হোসেনের নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় দুটি বাড়ির হোল্ডিংয়ে ৯৮ হাজার ৫০০ টাকা গৃহকর বকেয়া থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. নাহিদ হোসেনের দাখিল করা হলফনামায় অসম্পূর্ণ তথ্য থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এদিকে মনোনয়ন দাখিল করা বিএনপির দুই নেতা অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ও আবু জাফর আহমেদ বাবুল দলীয় মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ায় তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া আবু জাফর আহমেদ বাবুলের নারায়ণগঞ্জ ৬ কর অঞ্চলে আয়কর বকেয়া রয়েছে বলেও জানায় রিটার্নিং অফিস।
আপিলের সময়সূচি

রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *